domingo, 3 de enero de 2016

Ana Lucía Montoya Rendón আনা লুসিয়া মোন্তোইয়া রেন্দোন


GOTEOS



goteando sueños o soñando goteos...



ক্ষরণ



স্বপ্নক্ষরণ নাকি ক্ষরণের স্বপ্ন দেখা...



1.

cuando los pájaros anidan

están en sueño de vuelo permanente

lo cual es como tener por siempre las alas desplegadas

colgadas de un mapa inagotable de rutas

muchas de las cuales aún no existen



.

পাখিরা যখন নীড় বাঁধে

স্বপ্ন দেখে চিরদিনই উড়ে যাওয়ার

যেন চিরকালের জন্য সুবিস্তৃত ডানা পেয়েছে তারা

অফুরান পথের এক ম্যাপ থেকে উল্লোল ডানা

যাদের অনেকেই এখনো অস্তিত্বহীন

2.

dogmar: infinitivo arrodillado



dogmadores: imágenes palpables de látigos



dogmados: mansas nucas rotas



.

অনুশাসন: অন্তহীন হাঁটু গেঁড়ে বসা



অনুশাসনকারী: কশাঘাতের প্রতীয়মান ছবি



অনুশাসিত: কাঁপা কাঁপা ভাঙা কন্ঠস্বর



3.

cuando las mujeres danzan con la Luna en su propio patio

saben cuál es el sentido y dónde el sitio de arcilla de la verdadera danza



las mujeres y la luna bailan miradas

y voces

y vientres

sobre arcilla de colores

—cocida—

.

মেয়েরা যখন নাচে চন্দ্রালোকে নিজের উঠোনে

জানে কোনটা ভাবার্থ, কোথায় মেলে নিখুঁত নাচের মুদ্রা



মেয়েরা ও চাঁদ নাচে, পরস্পরে মুখোমুখি

আর কন্ঠস্বরে

অঙ্কদেশে

রঙের মুদ্রার ওপর

---সিদ্ধ----

Carlos Norberto  Carbone কার্লোস নোর্বের্তো কার্বোনে


SED

 

Sediento de infinitos respiro distancias.

No hay agua aquí.

La sed es silencio

                                   puro horizonte.

 

Seca la lengua de laberintos.



তৃষ্ণা



অপার তৃষ্ণায় শ্বাস ফেলি থেমে থেমে।

এখানে জল নেই।

তৃষ্ণা তো নীরব

বিশুদ্ধ দিগন্ত।



শুকিয়ে যাচ্ছে গোলকধাঁধার জিভ।





 --------------------------------------------------




DESDE EL BALCON

 
Desde el balcón miro la calle de las putas
escucho a Miles Davis
que desde su trompeta ensaya formulas para burlar
a la muerte.
Y pienso
mucho pienso
en ese rudo caballo que a mis pies
tengo atado.

 

ব্যালকনি থেকে
 ব্যালকনি থেকে চোখ রাখি বেশ্যাদের রাস্তায়
শুনি মিলেস দাভিস
সে তার ট্রাম্পেট দিয়ে মৃত্যুকে প্রতারণা করার
সূত্রাবলীর পরীক্ষা চালিয়ে যায়।
আর ভাবি
আরো বেশি করে ভাবি
এই শক্ত ঘোড়াটার সম্পর্কে যে আমি
দুই পা-ই বাঁধা।


Antonio Gonzalez আন্তোনিও গোন্সালেস

 

Registros poéticos desde el barrio

La mirada poética de la realidad puede descubrir aristas y perfiles insospechables, por eso les propongo repasar las visiones de algunos poetas sobre el “barrio”·, esa integración de realidades disímiles y paisajes compañeros de la vida. Veamos algunas de esas percepciones:
Desde Piñeyro: “Con alma de gorrión nació mi barrio / y corazón de alondra. / Tuvo su esquina, su farol, su muerto / y un suspiro en la sombra.” (Mumita Fernández).
Mientras que Sarandí sugiere estas sensaciones: “Voy caminando… Mi suburbio es todo / de perfumes, de canciones. / Tiene un prestigio humilde de balcones / y en estas horas un clemente modo”. (Antonio Requeni).
“Casas de chapas de mi barriada / Sarandí de antes, humo y hollín, / calles de barro, huellas de carros / olor a azufre de Sarandí.” (Natalio Farao).
“Seguiré tus costados de sonidos, / mi calle fundadora de gente / con mi lluvia alcanzaré tu trigo / y en cada esquina encontraré tu vientre”. (Julio R. Bruno)
El Dock Sud también impregna de subjetividad al poeta: “calamar en su tinta / el oscuro dock sud viene y se pinta / de violento violeta las ojeras / negros cabellos de humo / pies lluviosos / iracundas ventanas / arroyos contagiosos / esquinas milongueras” (Gustavo A. Valdés).
“La calle del Doque / que podría tener una melodía a su memoria / desde donde pueden verse grúas y barcos / esperando que anochezca / pariendo viento el silencio.” (Jorge H. Paredes).
Gioconda de Zábatta describe “su Gerli”: “Tenía pocos años / y Gerli era un potrero / luminoso de sol, lleno de cielo / con un viento que peinaba abrojos / pastos duros y veredas / como la esperanza”.
Quinta Galli también tiene su historia poética: “Lacarra fue la pira de la gracia recibida / No una calle con la piedad de un nombre regalado, /sino el vital testimonio de la espuma, / una sudestada naciendo de tu boca, / un evangelio goteando de tus lágrimas.” (Horacio Ramos).
En Domínico: “Vuelvo a ser el pibe aquel / que por Pierres iba a pasear, / peinadito a la gomina / fumándome un Gavilán…” (Natalio Farao).
Y seguramente habrá muchos ejemplos como los señalados hasta abarcar la totalidad de los barrios locales, porque en su paisaje y realidad es donde crecemos, allí donde el hombre encuentra la proximidad de las experiencias y primarias necesidades de convivencia. Por supuesto que muchos de los barrios de Avellaneda presentan identidades comunes, pero también es cierto que en cada uno, encontramos perfiles propios. El nuestro, el que poblamos con nuestros ideales y sueños, el que nos ve ir y venir, y para siempre “volver” como lo decía Troilo.
El poeta, hombre caminador, suele afincarse en sus esquinas, inventariar sus baldosas, descubrir paredones, rincones únicos, sumar interrogantes sobre sus habitantes o el sentido de la vida, que al final, es lo mismo.
 

escritor-Periodista Artista visual y director de teatro 


 
'পাড়া'র কবিতার নথিপত্র

বাস্তবের প্রতি কবিতার চোখ রাখা আবিষ্কার করে ফেলতে পারে অপ্রত্যাশিত দৃষ্টিকোণ এবং পার্শ্বচিত্র, তাই 'পাড়া'র কয়েকজন কবির লেখা আপনাদের পড়তে অনুরোধ করছি, এ তো বিসদৃশ বাস্তবতা এবং প্রকৃতির বন্ধুদের একীভূতকরণের প্রয়াস। এমনই কিছু উদাহরণ আমরা দেখবো:
পিনিয়েইয়েরো থেকে: "চড়ুইয়ের আত্মায় জন্ম হয় আমার পাড়ার/ এমনকি দুষ্টুমির হৃদয়েও।/
সেখানে আছে ছোট্ট গলি, ধাপ্পাবাজি, মৃত্যু/ আর ছায়ায় শ্বাসপ্রশ্বাস।" ( মুমিতা ফের্নান্দেস)
একইসময় সারান্দি তুলে আনেন এই অনুভব: "হেঁটে যাই ওখানে...আমার পাড়াটা যেন বিশ্বজগৎ/ সুরভী আর গানে।/ চাপা অহংকার তার ঝুলবারান্দায়/ আর ক্ষমাপরায়ণ মেজাজের সেই মুহূর্তসকল।" (আন্তোনিও রেকেনি)
" আমার ছোট্ট পাড়ার টালির ঘরবাড়ি/ পুরোনোদিনের সারান্দি, ধোঁয়া আর ঝুল/ কাদারাস্তা, গাড়িতে অজস্র দাগ/ সারান্দির সালফারের দুর্গন্ধ" ( নাতালিও ফারাও)
" তোমার দুপাশের ক্যাচোরম্যাচোর শুনবো/ লোকের তৈরি হে আমার প্রিয় পথ/ আমার বৃষ্টি দিয়ে ধরে রাখবো তোমার ফসল/ আর সবখানেই খুঁজে পাবো তোমার উদরাস্থি। ( হুলিও এর ব্রুনো )
দোক সুদও কবির আত্মনিষ্ঠতার কথাই বলেছেন: "নিজেকে নিজের কালিতে ডোবানো/ অন্ধকার দোক সুদ আসে আর রাঙিয়ে নেয় নিজেকে/ উদ্দাম বেহালা কানে বাজে/ কালো চুলের ধোঁয়া/ বৃষ্টিভেজা পা/ ক্রুদ্ধ জানালা/ সংক্রামক স্রোত/ মিলোঙ্গা নাচের কর্ণার" ( গুস্তাভো আ ভালদেস)
" দোকের রাস্তা/ হয়তো আছে তার স্মৃতির সুর/ যেখানে মুখোমুখি হতে পারে জাহাজ ও ক্রেন/ সন্ধ্যা নামার অপেক্ষা করে/ হাওয়ায় জন্ম নেয় নৈঃশব্দ" ( হোর্হে আচে পারেদেস)
কিন্তা গাইইয়েরও নিজের কবিতার ইতিহাস আছে: "লাকার্রা পেয়েছিল চিতার সৌষ্ঠব/ কোনো রাস্তাই তাকে দেওয়া নামের করুণা পায়নি, / অন্তত প্রয়োজনীয় ফোমের প্রমাণও নেই,/ তোমার মুখ থেকে জন্ম নেয় দক্ষিণ-পুবের রাস্তা/ তোমার চোখের জলে নামে গসপেল" (ওরাসিও রামোস)
দোমিনিকান রিপাবলিকে: "আবার আসবো ঐ ছাগলছানা হয়ে/ যে পাথরের ওপর দিয়ে হেঁটে যেতো/ ঝকঝকে লোম/ আমাকে ইন্ধন জোগায় এক বাজপাখি " ( নাতালিও ফারাও)
স্থানীয় জায়গার সম্পূর্ণতাকে পরিপূর্ণ করার জন্য এগুলোর মতোই নিশ্চয়ই আরো অনেক উদাহরণ আছে, কারণ পাড়া ও বাস্তবতা যেখানে আমরা বেড়ে উঠি, সেখানে মানুষ খুঁজে পায় একসাথে থাকার প্রাথমিক প্রয়োজনীয়তা এবং তার অভিজ্ঞতার ভবিষ্যত। আভেইয়ানেদার অনেক পাড়াই একরকম দেখতে, তবে নিশ্চিতভাবেই প্রত্যেক পাড়ার নিজস্বতা কিছু আছেই।
সেটাই আমাদের যেখানে আমরা থাকি আমাদের আদর্শ ও স্বপ্ন নিয়ে, যে আমাদের যেতে-আসতে দেখে এবং সবসময়ই ফিরে আসে, যেমন বলেছেন ত্রৈলো।
কবি, পথিক, প্রায়ই আড্ডা জমান পাড়ার গলিতে, গোনেন টালির সংখ্যা, আবিষ্কার করেন পারেদোন, তুলনাহীন আড্ডাস্থল, জানতে চান বাসিন্দাদের কথা বা জীবনের অর্থ, সবশেষে, দুটোই আসলে একই।

লেখক-সাংবাদিক-ভিস্যুয়াল আর্টিস্ট-নাট্যপরিচালক

Valeriano Fauve ভালেরিয়ানো ফাউবে



 EL CAMINO DE LA AURORA

(Fragmento)

Llegue a la calle pensando que tan solo estaría de paso. Creí que en un mes, a lo sumo dos, ni un día más, estaría de nuevo en circulación. Mi altanería no me dejaba ver el otro lado del bosque. En mitad de la calle con tres maletas, una mochila, y una maleta de esas que llevas el portátil, papeles y mil cosas más que vas dejando por el camino. No era consciente de la cara que hacía, no sabía si iba o regresaba. ¿De dónde? De ninguna parte. No me enteraba de lo que tenía encima.  
Me quede en la primera esquina, sin saber para donde tirar. Si para arriba o para abajo. Hacia la izquierda o hacia la derecha. Era una pura indecisión y nada más. Te falta información. A este juego nunca jugué y claro ¿cómo mover ficha?

Envía tu luz y tu verdad; estas me guiarán
me conducirán a tu santo monte y a tus moradas.
(Salmos 43: 3)

 
'ভোরের পথ' বইয়ের অংশবিশেষ
 

এত একাকিত্ব নিয়ে পেরোতে পারি পথ ভাবতে ভাবতেই পৌঁছে যাই রাস্তায়। বিশ্বাস করেছিলাম, এক মাস বা সবচেয়ে বেশি হলে দু মাসে, তার একদিনও বেশি নয়, আবার পরাক্রান্ত হয়ে উঠতে পারব। ঔদার্য আমায় ঘুরিয়ে দিল জঙ্গলের অন্যদিকে। রাস্তার মাঝপথে তিনটে সুটকেশ, একটা পিঠব্যাগ আর একটা সুটকেশে ল্যাপটপ, কাগজপত্র এবং হাজারো জিনিসপত্র- সব ফেলে যাচ্ছো রাস্তায়। ঐ মুখটা আমার চেনা ছিল না, জানতামও না চলে যাচ্ছে নাকি ফিরে আসছে। কোথা থেকে? কোথাও থেকে নয়। ওর সামনেই আছি অথচ আমার উপস্থিতি ও বুঝতে পারেনি। ওপর নাকি নীচ, ডান নাকি বামদিক, কোথা দিয়ে ছুঁড়ে ফেলবে জানি না বলে এক কোণে দাঁড়িয়েছিলাম। সম্পূর্ণ দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়া একে আর কিইবা বলা যায়। তুমি খবরটা পাওনি। এই খেলাটা কখনো খেলিনি আর ফাইলটা কিভাবে সরাবো?

পাঠাও তোমার উদ্ভাস ও সত্য; ওরাই আমায় পথ দেখাবে
আমায় নিয়ে যাবে তোমার পবিত্র পর্বতে, তোমার আলয়ে।
( স্তব ৪৩:)

Diego Arandojo দিয়েগো আরানদোহো



BREVE HISTORIA DE “LAFARIUM”

Lafarium Cuartiquis nació en el año 1997, en la Ciudad de Buenos Aires, República Argentina.


En aquel entonces junto a Maximiliano Ramos, periodista y escritor, queríamos producir un nuevo espacio dentro del mundo de los “fanzines”: una publicación que versara sobre la cultura gótica, tanto en la literatura como en las artes gráficas, la historieta o la ilustración.

De esta forma publicamos cuatro ediciones, entre los años 1997 y 1999, entre ellas una adaptación a historieta del célebre “Apocalipsis” de la Santa Biblia.

El fanzine tenía una estética única, en el sentido de que pretendía utilizar el blanco como si fuera negro. Era una filosofía de diseño y también de selección de trabajos.

El propio término Lafarium Cuartiquis significaba “habitación sin tiempo ni espacio, protegida por Jonos”. Ésta era la deidad elocuente; un ser amorfo, antiquísimo, que gobernaba tanto el afuera y el adentro del Lafarium.

A partir del año 2001, Lafarium dejó el papel y se trasladó hacia el territorio digital como “webzine”. Con formato horizontal (algo fuera de lo común para las publicaciones literarias de aquel momento) se editaron más de 20 ediciones. Este ciclo finalizó hacia el año 2004.

En el año 2006, gracias al impulso de Gladys Cepeda y Diego Ollero, se realizó un número monográfico en papel dedicado a “Las Sociedades Secretas”.

Sin embargo, no fue hasta el año 2011 cuando, gracias a Fernando Piciana de UnH Ediciones, Lafarium Cuartiquis retomó la vida a través de los bellos Codex, números monográficos. Seis en total, más cinco adendum y dos ediciones especiales.

A partir de septiembre de 2014, Lafarium comenzó una nueva etapa, recuperando el formato e espíritu de sus orígenes, y trabajando bajo el lema “La mirada invisible del arte”.

En esta nueva etapa la revista sumó también una sección audiovisual: documentales en formato de crónica, sobre distintos artistas plásticos y dibujantes de historietas.

En 2015 editamos en papel un libro recopilatorio de ensayos esotéricos, literatura y cómic, titulado “Lafarium” y editado por el sello Oráculo Ediciones.

Actualmente Lafarium es una publicación mensual, que alterna contenidos literarios y artísticos de diversa índole, con entrevistas en video e investigaciones variadas.

La meta es generar un nuevo tipo de contenidos, más próximos al transmedia, ampliando el horizonte y experiencia del lector.

editor- 

'লাফারিউম' এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস


লাফারিউম চারতিকিসের জন্ম ১৯৯৭এ, রেপুবলিকা আর্হেন্তিনার রাজধানী বুয়েনোস

আইরেসে। সেই সময় সাংবাদিক-লেখক মাক্সিমিলিয়ানো রামোসের সাথে আমরা 'ফানসিনেস' নামের একটা নতুন জায়গা তৈরি করতে চাইছিলাম। ফানসিনেস হলো এক পত্রিকা যে গথিক সংস্কৃতি নিয়ে সাহিত্য, গ্রাফিক আর্ট, কার্টুন বা ইলাস্ট্রেশান প্রকাশ করবে। এইভাবেই ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৯ এর মধ্যে আমরা চারটে সংখ্যা প্রকাশ করলাম, যার মধ্যে একটা সংখ্যায় বেরিয়েছিল সান্তা বিবলিয়ার বিখ্যাত 'আপোকালিপসিস' এর কার্টুন অ্যাডাপটেশান। ফানসিনেস একটা নিজস্বতা ছিল, সবকিছুতে সাদা রঙের ব্যবহার করা হতো যেন নিজের কালোকে ঢাকতে চায়। এটাই ছিল ফানসিনেসের প্রচ্ছদ সৃষ্টির মতবাদ আর অলঙ্করণেও এই ধরনের কাজ বেছে নেওয়া হতো। লাফারিউম চারতিকিসের নিজস্ব অর্থ: জোনোসের হাতে সুরক্ষিত স্থানকালহীন শোবার ঘর। সে এক নিরাকার, প্রাচীন বাক্যবাগীশ দেবতা যিনি লাফারিউমের ভিতরে বাইরে সবসময় নজর রাখতেন। ২০০১ সাল থেকে লাফারিউম মুদ্রিত পত্রিকার বর্ম ছেড়ে ওয়েবজিনে রূপান্তরিত হলো। এই দিগন্তব্যাপী ফর্ম্যাটে ( ঐ সময় সাহিত্য পত্রিকা ওয়েবজিন ছিল অভাবনীয়।) ২০০৪এ বন্ধ হয়ে যাবার আগে পর্যন্ত ২০টা সংখ্যা প্রকাশ করলো। ২০০৬এ দুই কবি গ্লাদিস সেপেদা ও দিয়েগো ওয়েইরোর উদ্যোগে 'অদেখা সমাজ' এর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মুদ্রিত আকারে প্রবন্ধ নিয়ে প্রকাশিত হলো লাফারিউম। ২০১১ পর্যন্ত আর কোনো সংখ্যা প্রকাশিত হলো না। ঐ বছরই 'উনএইচ এদিসিওনেস'র ফেরনান্দো পিসিয়ানার উদ্যোগে ছটি প্রবন্ধ সংখ্যা 'কোদেক্স' নিয়ে লাফারিউমের পুনর্জন্ম হলো। প্রকাশিত হয়েছিল আরো পাঁচটি সংখ্যা, যার মধ্যে দুটো বিশেষ সংখ্যা।২০১৪র সেপ্টেম্বর থেকে লাফারিউম নতুনভাবে পথ চলা শুরু করলো, ফিরিয়ে আনলো তার পুরোনো ফর্মাট আর মেজাজ, 'শিল্পের অদৃশ্য দৃষ্টি' বিষয়ে কাজ করতে লাগল। এইবারে পত্রিকায় জুড়ে গেল 'অডিও-ভিস্যুয়াল' বিভাগও: ক্রনিকালের বিন্যাশে রাখা হলো বিভিন্ন চিত্রশিল্পী ও কার্টুনিস্টদের নিয়ে তথ্যচিত্র। ২০১৫য় ওরাকুলো এদিসিওনেস প্রকাশনী থেকে আমরা 'লাফারিউম' নামে প্রকাশ করলাম রহস্যমূলক প্রবন্ধ, সাহিত্য ও রম্যরচনার এক সংকলিত বই। বর্তমানে লাফারিউম মাসিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয় যেখানে বিভিন্ন ধরনের শিল্পকলা ও সাহিত্য সম্পর্কিত লেখা থাকে, সাথে থাকে ভিডিওয় সাক্ষাৎকার এবং শিল্প ও সাহিত্যের নানান খবর। আমাদের লক্ষ্য, নতুন ধরনের লেখার জন্ম দেওয়া, অদূর ভবিষ্যতে ট্রান্সমিডিয়া মারফত দিগন্ত আর পাঠকের অভিজ্ঞতা আরো সম্প্রসারিত করা।

  সম্পাদক

Alfonso Cadalzo Ruiz ;আলফোনসো কাদালসো রুইস



Que se entiende por Radio Cultural
 

Una radio cultural es, ante todo, de su tiempo, con esa marcada presencia de la cultura raíz en constante dialéctica de transformación. Considero que el concepto de radio cultural está ligado al de radio como una forma de creación. Si una radio cultural contiene su sello artístico que la identifica y le confiere unidad en el medio para el cual se origina, puede inferirse que transita por un camino acertado.

Hace algún tiempo un amigo me comentó que no era partidario de la radio cultural, porque ese tipo de medio se torna aburrido. Tuvo la experiencia de escuchar en el extranjero una llamada radio “cultural” donde transcurrían las horas entre largas pláticas, aparentemente interminables, y momentos con música de la llamada clásica.

Me llamó la atención aquel punto de vista no compartido por mí, y llegué a la conclusión de su error. Entendí que semejante concepto le era dictado por una experiencia particular; en realidad, muchas radioemisoras a nivel mundial autodenominadas “culturales” lo que hacen es eso, exactamente.

Si tenemos en claro el concepto de “cultura”, no habrá motivos para errar en el camino. La radio cultural es, esencialmente, un medio que difunde y protege la superestructura de cualquier región o país en toda su dimensión. Esa superestructura corresponde con una realidad material dada.

La radio verdaderamente cultural queda liberada del dañino estigma de los clisés, para brindar un panorama variado y ameno de la realidad donde se origina y por la cual existe. La radio cultural no es sólo palabras sino también música, sonidos, ideas, intercambio, todo concebido bajo la necesaria ubicuidad que requiere en cada caso.

En primer lugar, debe tenerse en cuenta las características del destinatario, sus gustos y necesidades con exacta claridad de objetivos determinados para cada espacio. Puede ser equilibrada y sobria en cuanto a los mensajes sin dejar de lado el dinamismo. No tiene por qué mantenerse estrictamente atada a las manifestaciones de la llamada música del Medioevo, como tampoco a líneas melódicas caracterizadas por su sobriedad.

Tampoco le es lícito ponerse al otro extremo de la cuerda, y proscribir lo que le juzgue aparentemente ajeno. Folclor y actualidad son ingredientes básicos para esta categoría de radio sugerida que no renuncia a la siempre cambiante realidad.

No se trata de ir únicamente por el ámbito de lo popular y echar a un lado los valores universales que son inherentes a cada localidad. Toda cultura, por muy “sui generis” que parezca ser, contiene rasgos de mestizaje y transculturación.

Es compatible la presencia de manifestaciones del más refinado modo de expresión, como los clásicos, de la mano con auténticos valores populares que integran la contemporaneidad. Place disfrutar de Mozart, Frank Fernández o Chucho Valdés junto a Sur Caribe, el trío Matamoros o Los Van Van.

La música del medioevo, hoy denominada clásica, fue en su tiempo música popular, sólo que al alcance de nobles y aristócratas. La de nuestros días se ha masificado gracias a los medios de comunicación, en particular la radio y, ¿por qué no?, al paso del tiempo gran parte de la música popular pudiera admitirse dentro de los cánones de lo que llamamos clásico.

Es apremiante para cada gente de la radio caer en la cuenta de esa perspectiva. Con ella se delimita uno de los derroteros a seguir para confeccionar textos y programar música. Cultura, en definitiva, lo es todo en el orden de las relaciones de cada individuo o grupo de ellos con otros individuos y grupos; con la naturaleza que le circunda y consigo mismo.

Toda radio es inevitablemente cultural, en tanto fiel reflejo de la realidad que le da origen
http://www.radiocubana.cu

রাদিও কুলতুরাল আসলে কি ?

রাদিও কুলতুরাল, প্রথমত, তার সময়ের প্রতিচ্ছবি, অন্তহীন কথ্যভাষার রূপান্তরের সংস্কৃতির শিকড়ের প্রাণবন্ত উপস্থিতি। আমার মতে, রাদিও কুলতুরাল রেডিওতেই সীমাবদ্ধ এক ধরনের শিল্প। যদি কোনো রাদিও কুলতুরালের নিজস্ব ডাকটিকিট থাকে যে তার ধাঁচটা আইডেন্টফাই করে এবং এই পরিবেশের নিজস্ব সুরটাকে বাঁধে, ধরে নেওয়া যায়, সে ঠিক পথেরই ভ্রমনার্থী।

কিছুক্ষণ আগে এক বন্ধু আমায় জানালেন, রাদিও কুলতুরালের কোনো পৃষ্ঠপোষক ছিল না, কারণ এই ধরনের 'মিডিয়াম' একেবারেই 'বোরিং'। বিদেশে থাকাকালীন একবার তাঁর রাদিও কুলতুরাল শোনার অভিজ্ঞতা হয়েছিল, যেখানে দীর্ঘ আলোচনামূলক অনুষ্ঠানগুলো ( মনে হয় অনুষ্ঠান আর শেষ হবে না) শাস্ত্রীয় সঙ্গীত দিয়ে ভরানো হয়।

যে সব দিক আলোচনায় আনিনি, সেগুলো আমার মনোযোগ আকর্ষণ করলো , এভাবেই তাঁর ভুলের ব্যাখ্যা খুঁজে পেলাম। বুঝতে পারলাম, এক বিশেষ অভিজ্ঞতা থেকে কিভাবে সে এমন একটা ধারণা তুলে আনল, বাস্তবে বিশ্বব্যাপী বহু রেডিও চ্যানেলেই এই স্ব-শৈলী নির্মিত 'সংস্কৃতি'র ঢক্কানিনাদ শোনা যায়।

যদি সংস্কৃতি সম্পর্কে আমাদের স্বচ্ছ ধারণা থাকে, তাহলে পথভ্রষ্ট হওয়ার ভয় থাকবে না। রাদিও কুলতুরাল মূলত এক বিশেষ জায়গা বা দেশের সংস্কৃতির 'সুপারস্ট্রাকচার'টাকে সব রকম বৈচিত্র্যে সাজিয়ে আমাদের সামনে তুলে ধরে এবং তাকে বাঁচিয়ে রাখে। এই সুপারস্ট্রাকচার বাস্তবের সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত।

রাদিও কুলতুরাল বাস্তবিকই ক্লিশের ক্ষতিকর কালিমামুক্ত, বিভিন্ন রকম প্যানোরামা এবং বাস্তবের সুন্দর দিকটা তুলে ধরে যে রাদিও কুলতুরালের উৎস এবং এখানেই সে সবসময় বিরাজমান। রাদিও কুলতুরাল শুধু কিছু কথা নয়, সঙ্গীত, ধ্বনি, আইডিয়াজ ও আদান-প্রদান-- সবকিছুই সে ধারণ করে সর্বব্যাপী প্রয়োজনীয়তার নিরিখে।

প্রথমত মাথায় রাখতে হবে টার্গেট অডিয়েন্সের বৈশিষ্ট্য, তাদের পছন্দ ও প্রয়োজন-- প্রতিটি ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ধারণার স্বচ্ছতা। উপস্থাপনা হওয়া উচিত সামঞ্জস্যপূর্ণ, সংযত এবং উপভোগ্য।

কিন্তু এগুলো সবসময় মানা হয় না কারণ উপস্থাপনাটি মধ্যযুগীয় সাঙ্গীতিক ডাকের কাছে বাঁধা পড়ে আছে, ঠিক নির্ভুল সুরের লাইনগুলোর মতোই।

দড়ির অন্যপ্রান্তটা ধরা যেমন বিধিসম্মত নয়, তেমনই বিচারক ভুলোমনের হলে তাকে ছুঁড়ে ফেলাও কাজের কথা নয়। ফোকলোর ও বর্তমান- দুটোই প্রস্তাবিত এই শ্রেণীর রেডিওর মৌলিক উপাদান যে কখনো সদাপরিবর্তনশীল বাস্তবকে ছাড়ে না।

শুধুমাত্র জনপ্রিয়তা বাড়ানো এবং প্রত্যেক জায়গার আইডেন্টিটির বিশ্বজনীন মূল্যায়ন করাটা এর কাজ নয়, বরং প্রতিটি সংস্কৃতির 'সুই জেনেরিস'- তার বর্ণ ও সাংস্কৃতিক অভিযোজন-এগুলোও তুলে ধরবে রাদিও কুলতুরাল।

আরো সুচারু উপস্থাপনার মতকে সমর্থন করে রাদিও কুলতুরাল, যেমন আসল জনপ্রিয়তা মাপার মাপকাঠি সেই ক্লাসিক্যালগুলো যারা সমকালকে একীভূত করতে পারে। যেমন মোজার্ট, ফ্রাঙ্ক ফের্নানদেস বা চুচো ভালদেসের সাথে এল সুর কারিবে, এল ত্রিও মাতামোরোস বা লোস ভান ভান সঙ্গীত।

মধ্যযুগীয় সঙ্গীত যাকে আমরা শাস্ত্রীয় সঙ্গীত বলে জানি, একসময়ে অমাত্য ও অভিজাতদের পপসঙ্গীত হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিল। আর আমাদের সময়েরটা মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে, বিশেষত রেডিওর মাধ্যমে। সময়ের সাথে সাথে সঙ্গীতের একটা বড় অংশই চলে আসতে পারত শাস্ত্রগ্রন্থে যাকে আমরা বলি মার্গসঙ্গীত।

এই পরিপ্রেক্ষিতের গল্পটি বেতারের প্রতিটি শ্রোতার জন্যই জরুরী। এই গল্পই কথা ও সঙ্গীতের অনুষ্ঠান নির্মাণের পথটাকে অসীমে নিয়ে যায়।

স্পষ্টতই, সংস্কৃতি প্রত্যেক মানুষ বা কম্যুনিটির সঙ্গে অন্য সব মানুষ বা কম্যুনিটির যোগাযোগের সেতুবন্ধ তৈরি করে; প্রকৃতির মধ্যে দিয়ে যে ঘুরে চলে নিজেরই চারদিকে।

সব রেডিওই অবশ্যম্ভাবীরূপে সাংস্কৃতিক, খুব বিশ্বস্তভাবে বাস্তবটাকে তুলে ধরে যেখান থেকে তাদের উত্থান।







REVISTA DE LITERATURA Y ARTE ,BIMENSUAL Y GRATUITA BILINGÛE 

CASTELLANO-BENGALÍ

Directores :Gladys  Cepeda Y Mainak Adak

Traductor :Mainak Adak

Diseño del blog y del logo  :Gladys Cepeda

  Foto extraída de google

Para enviar  material  contactarse  por facebook, O E-MAIL

SE AGRADECE LA DIFUSIÓN


Si se utiliza material del blog se solicita citar la publicación

 

বিনামূল্যের দ্বিমাসিক শিল্প ও সাহিত্যের পত্রিকা  ক্যাস্তিলিয়ান (স্প্যানিশ) - বাংলা    
 

সম্পাদক: গ্লাদিস সেপেদা ও মৈনাক আদক

অনুবাদক: মৈনাক আদক

 ব্লগ ডিজাইন: গ্লাদিস সেপেদা

ব্লগের ছবি গুগল থেকে সংগৃহীত

লেখা পাঠানোর জন্য যোগাযোগ করুন ফেসবুক বা ই-মেলে

সম্প্রচারের জন্য ধন্যবাদ 


 -যদি এই ব্লগের কোনো রচনা ব্যবহার করেন, তাহলে প্রকাশিত অংশটি উদ্ধৃত করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।