A LA ESPERA DE LA
OSCURIDAD
Ese instante que no se olvida
Tan vacío devuelto
por las sombras
Tan vacío rechazado por los relojes
Ese pobre
instante adoptado por mi ternura
Desnudo de sangre de alas
Sin
ojos para recordar angustias de antaño
Sin labios para recoger el
zumo de las violencias
perdidas en el canto de los helados
campanarios.
Ampáralo niña ciega de alma
Ponle tus
cabellos escarchados por el fuego
Abrázalo pequeña estatua de
terror.
Señálale el mundo convulsionado a tus pies
A tus pies
donde mueren las golondrinas
Tiritantes de pavor frente al
futuro
Dile que los suspiros del mar
Humedecen las únicas
palabras
Por las que vale vivir.
Pero ese instante sudoroso
de nada
Acurrucado en la cueva del destino
Sin manos para decir
nunca
Sin manos para regalar mariposas
A los niños muertos
আঁধার
নেমে আসার আশায়
অবিস্মরণীয়
এই মুহূর্ত
কি
ভীষণ রিক্ত হয়ে ফিরে আসে ছায়ায়
কি
ভীষণ রিক্ত হয়ে গলাধাক্কা
খায় ঘড়ির হাতে
বেচারা
সেই মুহূর্ত আশ্রিত আমার
স্নেহে
ডানার
রক্তে সে নিরাবরণ
দৃষ্টি
নেই যে পুরোনো ক্লেশ ফিরে
দেখবে
ঠোঁট
নেই যে গির্জার আইসক্রিমের
গানে
হেরে
যাওয়া হিংসার সুরুয়ার স্বাদ
নেবে।
ওকে
রক্ষা কোরো হে হৃদয়পুরের অন্ধ
মেয়ে
তোমার
হিমায়িত কেশদাম ধরো আগুনের
পাশে
ভয়
পেলে জড়িয়ে থাকো ছোট্ট মূর্তিটাকে।
তোমার
পা দিয়ে সতর্ক করো ধরিত্রী
কেঁপে উঠলে
তোমার
দুপায়ে যেখানে মরেছে ভবিষ্যতের
মুখোমুখি হওয়ার
ভয়ে
কম্পমান সোয়ালো পাখির দল
ওকে
বলে দাও,
সাগরের
দীর্ঘশ্বাস
ভিজিয়ে
দেয় সেই অনন্য শব্দাবলীকে
যারা
জীবনের মূল্য জানে
কিন্তু
অনস্তিত্বের সেই ঘর্মাক্ত
মুহূর্ত
ঘর
বেঁধেছে নিয়তির গুহায়
হাত
নেই কখনো কিছু বলার জন্য
হাত
নেই প্রজাপতি উপহার দেওয়ার
জন্য
মৃত
শিশুদের
LA ÚLTIMA
INOCENCIA
Partir
en cuerpo y
alma
partir.
Partir
deshacerse de las
miradas
piedras opresoras
que duermen en la
garganta.
He de partir
no más inercia bajo el
sol
no más sangre anonadada
no más fila para
morir.
He de partir
Pero arremete
¡viajera!
শেষ
সারল্য
চলে
যাওয়া
শরীরে
ও আত্মায়
চলে
যাওয়া।
চলে
যাওয়া
আয়নাগুলো
ভাঙতে ভাঙতে
অত্যাচারী
পাথরের স্তূপ
ঘুমোচ্ছে
কন্ঠস্বরের ভেতরে।
চলে
যেতে বাধ্য হয়েছিলাম
দিনের
আলোয় ছিল না আর কোনো আলস্য
আর
কোনো বাকরুদ্ধ রক্তপাত
আর
কোনো মৃত্যুপথযাত্রীর সারি।
চলে
যেতে বাধ্য হয়েছিলাম
কিন্তু
আক্রমণ শানাও,
হে
পথিক !
Alejandra
Pizarnik (1936-1972)
আলেহান্দ্রা
পিসানিক (
১৯৩৬-১৯৭২)